রবিবার,  ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১১:৫৮

সাংবাদিকের উপর হামলাকারীকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ

জুলাই ১৯, ২০১৮ , ২১:২৯

স্টাফ রিপোর্টার
ঘটনার দুই দিন উত্তীর্ণ হলেও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) শরীয়তপুর জেলা শাখার সদস্য এবং আলিফ টিভি ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমানের উপর হামলাকারী চামটা ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি মামুন গাজীকে এখনও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসলাম উদ্দিন বলছেন, মামুন গাজীকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার কোন নমুনা দেখা যাচ্ছে না।

মামুন গাজী প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের পরিবারকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরণের ভয়-ভীতি প্রদর্শণ করছে। এদিকে মামলা তুলে না নেয়ায় সাংবাদিক হাফিজুর রহমানের বোনের শ্বশুর দেলোয়ার হোসেনকে ১৯ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে চামটা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বেঁধে রেখে মারধোর করেছে মামুন গাজী।

এ ঘটনাটি নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসলাম উদ্দিনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে পুলিশ পাঠান। পুলিশ আসার সংবাদ পেয়ে আসামী মামুন গাজী দেলোয়ার হোসেনকে ছেড়ে দেন। কিন্তু পুলিশ সেখানে গিয়ে মামুন গাজীকে গ্রেফতার না করে উল্টা মামুন গাজীর সাথে চা চক্রে বসেন এবং তারা মামুন গাজীর পক্ষ হয়ে সাংবাদিক হাফিজুর রহমানকে চাঁদাবাজির মামলায় জড়ানোর হুমকি দেন। আর এদিকে পুলিশ বলছে, মামুন গাজীকে গ্রেফতার করার জন্য তারা চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
স্থানীয়রা বলছেন, মামুন গাজী রাজনীতি করায় পুলিশের সাথে রয়েছে তার ব্যাপক সখ্যতা। আর সেই সখ্যতার কারণে পুলিশ তাকে ধরছে না। তাই সে এতো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কাউকেই মানতে চায় না।

এদিকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি এম.এ ওয়াদুদ মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক বি.এম ইশ্রাফিল দ্রুত মামুন গাজীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত রবিউল মাদবরের ছেলে আবুল বাশার মাদবর একই গ্রামের সুমন ছৈয়ালের স্ত্রী জান্নাত বেগমের সাথে পরকিয়া করছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ জুলাই রাতে তারা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয় এবং তা জান্নাত বেগমের স্বামী সুমন ছৈয়ালের নিকট ধরা পড়ে যায়। আলিফ টিভি’র জেলা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান এ ধরণের একটি সংবাদ পরিবেশন করায় চামটা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মামুন গাজী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। মামুন গাজী প্রথমে সাংবাদিক হাফিজকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হুমকি দেন এবং পরে পার্শ্ববর্তী ডিঙ্গামনিক ইউনিয়নের গোলার বাজার এসে বেধড়ক মারধর করেন। তারই প্রেক্ষিতে সাংবাদিক হাফিজুর রহমান নড়িয়া থানায় মামুন গাজীকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আল মামুন সিকদারের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, অপরাধীকে অবশ্যই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। সাংবাদিকদের সাথে পুলিশের সম্পর্ক অনেক মধূর। আমরা কোন ক্রমেই সেই সম্পর্ক ভাংতে চাই না। আমি এখনই নড়িয়া থানার ওসি সাহেবকে বলছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য। আমাদের উপর আস্থা রাখুন।

Total View: 1114

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter