বুধবার,  ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ৮:৫৪

হাসপাতালের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ, প্রশাসন নিরব

মে ২২, ২০১৮ , ১৩:৫৮

স্টাফ রিপোর্টার
ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেঘনাদ সাহার দায়িত্বহীনতার কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিজস্ব জায়গা ভেদরগঞ্জ পৌরসভা দখল করে নিয়েছেন। হাসপাতালের জায়গা দখল করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এ সংবাদ সিভিল সার্জন জানেন না। তার এ মিথ্যাচারকে এখন নিরুপায় হয়ে বিশ্বাস করে নিতে হচ্ছে। কেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জায়গাটি পূণরুদ্ধারে কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেননি তা জানা যায়নি।

এদিকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেঘনাদ সাহার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা দেখিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন সাপ্তাহিক বালুচর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এখন তিনি হাসপাতালের জায়গা অন্যের হাতে তুলে দিয়েছেন। সরকারী বিধি মোতাবেক কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানের ভিতর দিয়ে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান রাস্তা নির্মাণ করতে পারবেন না। যদি কোন প্রতিষ্ঠান রাস্তা নির্মাণ করে তাহলে প্রথমাবস্থায় বাঁধা প্রদান করতে হবে। তাতেও যদি না হয় তাহলে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। কিন্তু ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেঘনাদ সাহা আইনের আশ্রয় তো নেনইনি বরং পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে রাস্তা নির্মাণে আরো উৎসাহিত করেছেন। এদিকে শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান কেন, কিসের ভয়ে বা কোন স্বার্থে ডাঃ মেঘনাদ সাহার ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না তা জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে সিভিল সার্জনের চেয়ে ডাঃ মেঘনাদ সাহা যে অনেক বেশী ক্ষমতাশালী তা তার ঔধত্যপূর্ণ আচরণ দেখেই বুঝা যায়।

স্থানীয় টি.এম গোলাম মোস্তফা, মোঃ নাসির খান বলেন, ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মেঘনাদ সাহা একজন মেরুদন্ডহীন লোক। তিনি ভালো ডাক্তার হতে পারেন কিন্তু প্রশাসন চালানোর জন্য যে যোগ্যতা প্রয়োজন তা তার নেই। তিনি একজন দুর্নীতি পরায়ন ঘুষখোর। টাকা দিলে তার মাধ্যমে সব কিছু করাই সম্ভব। তিনি টাকা ছাড়া কিছুই বোঝেন না। তিনি অনেক টাকা ঘুষের বিনিময়ে হাসপাতালের জায়গায় পৌরসভাকে রাস্তা নির্মাণ করতে দিয়ে দিয়েছেন। সে যদি যোগ্য এবং দায়িত্বশীল লোক হতো তাহলে হাসপাতালের জায়গায় পৌরসভাকে রাস্তা নির্মাণ করার অনুমতি দিতেন না।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক এবং বাদল বলেন, হাসপাতালের ভিতর দিয়ে পৌরসভাকে রাস্তা করার অনুমতি দেয়ায় ডাঃ মেঘনাদ সাহা একটা বড় ধরণের ভুল করলেন। এক সময় পৌরসভা তাদের নিজের জমি মনে করে হাসপাতালের জমি দখল করে নিবে। যেহেতু হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার রাস্তা রয়েছে, সেহেতু হাসপাতালের ভিতর দিয়ে পুণরায় নতুন রাস্তা নির্মাণের কি প্রয়োজন তা ভেবে পাই না। এ রাস্তাটি চালু হলে আমাদের ব্যবসা বাণিজ্যে ধস নেমে আসবে। আমরা পথে বসে পড়বো।

এ ব্যাপারে ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবদুল মান্নান হাওলাদারের সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, জনগনের যাতাযাতের জন্য হাসপাতালের মাঠ দিয়ে একটা রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছি। এটা বর্তমানে যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থায়ই থাকবে। এটাকে আর বড় করা হবে না।

এ ব্যাপারে শরীয়তপরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, সরকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যদিয়ে রাস্তা নির্মানের কোন সুযোগ নেই। ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্য দিয়ে পৌরসভা রাস্তা নির্মাণ করছে আমি আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। আমি ব্যাপাটি দেখছি।

Total View: 1161

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter