সোমবার,  ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সন্ধ্যা ৬:৫৮

হোম কোয়ারেন্টাইনে যাচ্ছে না নড়িয়া পৌরসভার মেয়র বাবু রাড়ী!

মার্চ ২৩, ২০২০ , ১৪:০৫

স্টাফ রিপোর্টার
সারা বিশ্ব করোনা ভাইরাস সংক্রমনের আতংকে কাঁপছে। বাংলাদেশ ও তার বাইরে নয়। ৬৪টি জেলায়ই কোয়ারেন্টানে রাখা হয়েছে আগত বিদেশ ফেরত প্রবাসিদের। আক্রান্তদের রাখা হয়েছে আইসোলেশনে। ইতোমধ্যে আক্রান্তদের মধ্যে ৩জন মারা গেছে।

এ অবস্থায় শরীয়তপুর জেলায় বিদেশ প্রবাসি প্রায় সহস্রাধিক যাত্রিদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩শ ৬৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরপূর্বে ৫০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে মুক্ত করা হয়েছে। এ অবস্থায় নড়িয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাঢ়ী কে হোম কোয়ারেন্টানে নেয়া হচ্ছে না কেন ? এ নিয়ে সব মহলেই চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। নড়িয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাঢ়ী ও তার পরিবারের লোকজন দুবাই থেকে ১৬ মার্চ বাংলাদেশে ফিরেছে। পরদিন ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে নড়িয়া উপজেলা সদরে তার লোকজন নিয়ে শত শত মানুষের ভিড়ে উপজেলা শহীদ মিনারে ফুল দিয়েছেন।

এরপর তিনি তার অফিসে লোকজন নিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হন। পরে তিনি লোকজন নিয়ে রাস্তায় ঘোরাফেরা করেছেন। গত ১৩ মার্চ তিনি দুবাইতে ছিলেন মাত্র কদিন পূর্বে বিদেশ থেকে এসেছেন। এ রকম কটি ছবি তিনি তার ফেইসবুকে পোষ্ট করেছেন।

এতেই প্রমাণ করে তিনি প্রবাস থেকে এসেও সরকারী নির্দেশনা মানছেন না। তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন না। প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। মিটিং করছেন। ফলে নড়িয়া পৌর এলাকার মানুষ আতংকে রয়েছে। কেন না মেয়রের শরীরে ভাইরাস নেই এটাতো নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেবে না। ফলে ঐ এলাকার মানুষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের ধারণা মেয়র বলে কথা। তা না হলে কেন তাকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। সাধারণ যাত্রিরা দেশে ফেরার পর কোয়ারেন্টাইন না মানায় ইতোমধ্যে ৪/৫ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। অথচ প্রশাসন বা স্বাস্থ্যবিভাগ তাকে কিছুই বলছে না। তাহলে কি দেশের আইন কারো কারো জন্য আলাদা ভাবে প্রয়োগের নিয়ম করা হয়েছে।

নড়িয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাঢ়ি বলেন, আমি বিদেশ থেকে আসার সময় চেক করে এসেছি। আমার কোন সমস্যা নেই। সরকারী অনুষ্ঠানে তো আমাদের থাকতেই হয়। তাই আমি এখনো অফিস করছি।

নড়িয়া থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, আমি গত ১৭মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠানে দেখে তাকে লোকজনের মধ্য থেকে সরে যেতে বলেছি। তারপরেও সে মন্ত্রীর কাছে গিয়ে দাড়িয়েছিল। এখনো সে প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করছে।

এ ব্যাপারে শরীযতপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ এস.এম আবদুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, নড়িয়া পৌর মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাঢ়ি ইদানিং বিদেশ থেকে এসে বাইরে ঘোরাঘুরি করছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে আসেনি তা আমার জানা ছিল না। এখনি আমি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

জেলা পুলিশ সুপার এস.এম আশরাফুজ্জামান বলেন, আমি জানার পর নড়িয়া থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছি তাকে পুলিশ সুপারের মেসেজ জানিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার জন্য। না মানলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, আমি এ বিষয়টি জানতাম না। এখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

Total View: 1034

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter