বুধবার,  ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৩:২৫

১ম ও ২য় শ্রেণির চাকরিতে কোটা না রাখতে সুপারিশ

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮ , ১৭:৫৮

স্টাফ রিপোর্টার
প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির (৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডে চাকরির ক্ষেত্রে) সরকারি চাকরিতে কোটা না রাখতে সুপারিশ করেছে সরকার গঠিত কমিটি।

১৭ সেপ্টেম্বর, সোমবার এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোটা সংস্কার, বাতিল ও পর্যালোচনার জন্য গঠিত কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

সংবাদ সম্মেলনে সচিব বলেন, ‘কোটা নিয়ে রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজ সাবমিট করে দিয়েছি। আমাদের ফাইন্ডিংস হলো, নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত যে প্রাথমিক নিয়োগ হয়, সে নিয়োগে কোনো কোটা থাকবে না।

শফিউল আলম বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে আদালতের যে রায় আছে, তা কোটা সংস্কার বা বাতিলে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে আইন কর্মকর্তারা মত দিয়েছেন।’

সচিব জানান, বিষয়টি নিয়ে আইন বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হয়েছে। তারা বলেছেন, কোটার বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্ত, কোনো সমস্যা হবে না।

এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভায় পাস হলে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান শফিউল আলম।

বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।

কোটা সংস্কারের দাবি দীর্ঘদিন থেকেই ছিল শিক্ষার্থীদের। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা শাহবাগে সড়ক অবরোধ করেন। তাদের সরাতে গিয়ে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। এরপর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। রাতভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

এর জেরে কোটা সংস্কার আন্দোলন দেশব্যাপী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে গত ১১ এপ্রিল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দেন। যদিও পরে সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদ দেওয়া যাবে না, এটা নিয়ে আদালতের রায় রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আবারও নতুন করে দানা বাঁধতে শুরু করে। সরকার-দলীয় ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করেন। আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তদের পুলিশ গ্রেফতার করে। কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে সরকার। আড়াই মাস পর সেই কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলো।

Total View: 635

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter